প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস
১৯৯৩ সাল পর্যন্ত পুঠিয়া থানা/উপজেলা সদরে ০১ টি এবং বানেশ্বর বাজারে ০১ টি সহ পুঠিয়া থানা/উপজেলার সর্বমোট কলেজের সংখ্যা ছিল ০২ টি। পচামাড়িয়া ডিগ্রী কলেজ থেকে উল্লেখিত ০২ টি কলেজেরই অবস্থান ছিল যথাক্রমে ১৬ এবং ২৫ কিলোমিটার দূরে। শিলমাড়িয়া ইউনিয়ন তথা পচামাড়িয়া গ্রামটির অবস্থান ছিল অনুন্নত আর্থ-সামাজিক এলাকায়, যাকে রিমোট অঞ্চল বলা হতো। শিক্ষা- দীক্ষায় এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় এলাকাটি ছিল একেবারে পিছিয়ে পড়া। ছাত্র-ছাত্রীদেরকে লেখা পড়া করার জন্য কমপক্ষে ১০-২০ কিলোমিটার দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে দূরে যেতে হতো। মেয়েদের জন্য লেখাপড়া চালিয়ে যওয়ার বিষয়টি ছিল প্রায়ই অসম্ভব। ছেলে-মেয়েদের লেখা পড়া করার ক্ষেত্রে দু-একটি অপ্রীতিকর/ অবাঞ্চিত ঘটনার নজিরও রয়েছে, যা কলেজ স্থাপনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে আরো গতিশীল করেছে। ঘটনার আবর্তে উচ্চ শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কলেজ পর্যায়ের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল এবং ৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৯৪ উপজেলার ৩য় কলেজের গোড়া পত্তন হয়।
ভৌগলিক অবস্থান
রাজশাহী জেলা সদর থেকে ৪৫ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর কোণে, পুঠিয়া উপজেলা সদর থেকে ১৬ কিলোমিটার উত্তরে, ০৫ নং শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র পচামাড়িয়া মৌজাস্থ পচামাড়িয়া গ্রামে এবং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে মাত্র ৩০০ গজ দক্ষিণে পুঠিয়া-মোল্লাপাড়া-সাধনপুর পাকা রাস্তার ধারে সবুজের ছাঁয়া ঘেরা মনোরম পরিবেশে পচামাড়িয়া ডিগ্রী কলেজ অবস্থিত। কলেজ থেকে মাত্র ৫.০০ কিলোমিটার দূরে(উত্তরে) বারনই(যমুনার শাখা) নদী এবং মাত্র ৬.০০ কিলোমিটার দূরে(পশ্চিমে) বিখ্যাত তাহেরপুর হাট এবং রাজা কংস নারায়ন রায়ের স্মৃতি বিজোড়িত ঐতিহাসিক রাজবাড়ি। কলেজ সংলগ্ন স্থানে (একশত গজ দূরে) প্রায় ২০০ বৎসরের অধিক কাল ধরে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে উন্মুক্ত একটি পৌষ মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে, যেখানে একটি ২০০ বৎসরের বিবাহিত পাইকড় গাছও কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। পচামাড়িয়া নামটি অতিথি পাখির স্বর্গরাজ্য হিসাবে দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে বিশেষভাবে বিশেষভাবে পরিচিত।
গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক
জাতীয় সংগীত
জাতীয় হেল্পলাইন
ক্যালেন্ডার
যোগাযোগ
Pochamaria Degree College
পোস্ট: 6260, উপজেলা: Puthia, জেলা: Rajshahi
মোবাইল: 01715008351
ই-মেইল: [email protected]